চলে গেলেন নোবেল জয়ী শিয়াবোশান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া চীনের মানবাধিকারকর্মী, সরকারের সমালোচক ও ভিন্নমতাবলম্বী রাজনীতিক লিউ শিয়াবো আর নেই। কারাবন্দী থাকা অবস্থায় ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে বৃহস্পতিবার তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
১৯৮৯ সালের তিয়েনআনমেনের গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের এই কর্মীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। তিনি লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ক্যানসারের শেষ ধাপে থাকা শিয়াবোকে কারাগার থেকে তাঁকে সুরক্ষিত একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তিনি এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেলেন।
চিকিৎসার জন্য শিয়াবোকে বিদেশে পাঠানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছিল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। সেই আহ্বানে চীনা কর্তৃপক্ষ সাড়া দেয়নি। জার্মানির শান্তিবাদী কার্ল ফন অসিয়েতজকি ১৯৩৮ সালে নাৎসি বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার পর একটি হাসপাতালে মারা যান। এরপর শিয়াবো প্রথম ব্যক্তি, যিনি আটক অবস্থায় মারা গেলেন।
এক বিবৃতিতে নোবেল কমিটি বলেছে, ‘আশঙ্কাজনক পর্যায়ে যাওয়ার আগে শিয়াবোকে এমন জায়গায় পাঠানো হয়নি, যেখানে তিনি পর্যাপ্ত চিকিৎসা পেতে পারতেন। তাঁর এই অকাল মৃত্যুর দায় চীন সরকারকে বহন করতে হবে।’
গণতান্ত্রিক সংস্কারের আহ্বান জানানোর পর ২০০৮ সালে শিয়াবোকে কারাগারে যেতে হয়। এরপর তাঁকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০১০ সালে শান্তিতে নোবেল পান শিয়াবো। তাঁর মৃত্যুতে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলসহ বিশ্বনেতারা শোক জানিয়েছেন।
This is dummy text. It is not meant to be read. Accordingly, it is difficult to figure out when to end it. But then, this is dummy text. It is not meant to be read. Period.